ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
365 D News
ছিনতাই-চুরি-চাঁদাবাজি বেড়েছে, সংসদে যৌথ অভিযানের দাবি

ছিনতাই-চুরি-চাঁদাবাজি বেড়েছে, সংসদে যৌথ অভিযানের দাবি

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্যরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চালানোর দাবি উঠেছে সংসদে।বুধবার সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ ধারায় জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিষয়টি তুলে ধরেন গাজীপুর-৪ আসনে নির্বাচিত জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন এবং সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনীত সদস্য সাবিকুন্নাহার।সালাহ উদ্দিন বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনাকে এর উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।তিনি বলেন, সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীর হামলায় নারী শিক্ষিকার মৃত্যু, বিমানবন্দরে ছাত্রদল নেতা কর্তৃক স্বর্ণালংকার ছিনতাই, ধানমন্ডিতে প্রকাশ্যে ৩৯ লাখ টাকা ছিনতাই, মুগদা হাসপাতালে প্রকাশ্যে ছিনতাই এবং যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে হত্যার মতো ঘটনা পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরছে।গ্রামেও বাড়ছে চুরি-ডাকাতিসালাহ উদ্দিন দাবি করেন, শুধু রাজধানী নয়, গ্রামাঞ্চলেও চুরি ও ডাকাতির ঘটনা বাড়ছে। অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের সুযোগ নিয়ে গাড়ি চুরি, সিঁধেল চুরি এবং অন্যান্য অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবারকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে।পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা, নির্লিপ্ততা ও অক্ষমতার কারণে মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও সংসদে মন্তব্য করেন এই সংসদ সদস্য।পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবির যৌথ অভিযান দাবিজনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনার দাবি জানান সালাহ উদ্দিন।তিনি বলেন, ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি নিয়ে অভিযোগসংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সাবিকুন্নাহার রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের ফুটপাত দখল এবং চাঁদাবাজির বিষয়টি সংসদে তুলে ধরেন।তিনি বলেন, পথচারীদের চলাচলের জন্য তৈরি ফুটপাতের অনেক জায়গা দোকান, ভাসমান ব্যবসা ও স্থায়ী বাণিজ্যিক স্থাপনার দখলে চলে গেছে। ফলে মানুষ ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে সড়কে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সাবিকুন্নাহার বলেন, ‘এটা ওপেন সিক্রেট যে ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে একটি প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি চক্র গড়ে উঠেছে।’তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন এলাকায় দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে টাকা আদায়ের মাধ্যমে ফুটপাতে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় চায়ের দোকান বসানোর জন্য ২০ হাজার টাকা এবং অন্য দোকানের জন্য ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।চাঁদাবাজদের বিচারের আওতায় আনার দাবিসাবিকুন্নাহার বলেন, চাঁদাবাজি যেন আজ সরকারি দলের সংক্রামক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ এএম

ভাইয়া ব্রডকাস্টের এজিএম হলেন রাকিবুল ইসলাম

ভাইয়া ব্রডকাস্টের এজিএম হলেন রাকিবুল ইসলাম

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ: কর্মসংস্থান মন্ত্রী

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলকের স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ

সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলকের স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দ

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরি

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক। প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত আমকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

রাজশাহীর অর্থনীতি মূলত আমকেন্দ্রিক। প্রতি বছর মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত আমকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

শেরেবাংলা নগরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সেবার চাপ, ব্যবস্থাপনায় নানা সংকটে রোগীরা

শেরেবাংলা নগরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সেবার চাপ, ব্যবস্থাপনায় নানা সংকটে রোগীরা

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুমের উদ্বোধন

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল ক্লাসরুমের উদ্বোধন

আওয়ামী লীগ আমলে অবকাঠামোগত উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল লুটপাট: অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ আমলে অবকাঠামোগত উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল লুটপাট: অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

মিয়ানমারে পাচারকালে ২ হাজার ৪০০ বস্তা সিমেন্টসহ আটক ৩৩

মিয়ানমারে পাচারকালে ২ হাজার ৪০০ বস্তা সিমেন্টসহ আটক ৩৩

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস

জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস



বিশ্বম্ভরপুরে মাদক ও কিশোর গ্যাং নিয়ে উদ্বেগ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত অভিযোগকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এলাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, উপজেলার দেলোয়ার ভূঁইয়া (৪৭), পিতা–সুলেমান মিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, এসব অভিযোগের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে। প্রতিশোধের আশঙ্কায় অনেক ভুক্তভোগীও প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে অনাগ্রহী।এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, দেলোয়ার হোসেন স্থানীয় বিএনপি নেতা এস এম মাহবুব মল্লিকের নাম ব্যবহার বা তাঁর প্রভাবের কথা উল্লেখ করে চলাফেরা করেন বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এস এম মাহবুব মল্লিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হোক। অভিযোগের সত্যতা মিললে ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশের টহল ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রতিবেদন প্রকাশের আগে দেলোয়ার হোসেন ও এস এম মাহবুব মল্লিকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

বিশ্বম্ভরপুরে মাদক ও কিশোর গ্যাং নিয়ে উদ্বেগ
১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে কর আরোপের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন