ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
365 D News

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরাসরি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর: ইসি

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশের জন্য বড় অন্তরায় বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে কমিশন নেতিবাচক অবস্থান স্পষ্ট করেছে।রোববার আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ অবস্থানের কথা জানান।নির্বাচন কমিশনার বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষার সার্বিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এতে শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়। শিক্ষাঙ্গনে গঠনমূলক পরিবেশ বজায় রাখতে কমিশন এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না।জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারি চাপ রয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপে আছে এমন দাবি ভিত্তিহীন। তাঁর মতে, এ ধরনের দাবি কমিশনকে উল্টো চাপে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল।এদিকে আসন্ন নির্বাচনগুলোকে সামনে রেখে প্রযুক্তি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচন কমিশনার জানান, উপনির্বাচনে ভোটারদের প্রক্রিয়া সহজ করতে আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারচুপি রোধে সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বডি-ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো হবে।যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ড্রোন প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে কমিশন বদ্ধপরিকর বলেও জানান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরাসরি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর: ইসি