শাহজালালে লাগেজ পেতে তিন ঘণ্টা, যাত্রীসেবায় জবাবদিহি কোথায়?
গত ১
অক্টোবর মদিনা
থেকে
আসা
বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজের জন্য
প্রায়
তিন
ঘণ্টা
অপেক্ষা করতে
হয়েছে
বলে
অভিযোগ
ওঠে।
ট্রলিরও সংকট
ছিল।
চার
সংসদ
সদস্য
লিখিত
অভিযোগ
দেওয়ার
পর
বিমান
দুই
কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার
কথা
জানায়।
পরে
ঘটনাটি
মামলা
পর্যন্ত গড়ায়।কে কার
সঙ্গে
কেমন
আচরণ
করেছেন,
সেটি
আলাদা
বিষয়।
মূল
প্রশ্ন
হলো- আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে তিন
ঘণ্টা
কেন
লাগবে?
প্রয়োজনের সময়
ট্রলি
পাওয়া
যাবে
না
কেন?এটি অবশ্য
প্রথম
অভিযোগ
নয়।
গত
২৬
এপ্রিল
দুই
যাত্রী
লাগেজের তালা
ভাঙা
ও
মালপত্র হারানোর অভিযোগ
করেন।
জুনে
হজফেরত
যাত্রীদের লাগেজ
কাটা
ও
মূল্যবান জিনিস
হারানোর অভিযোগও ওঠে।
১১
জুলাই
যান্ত্রিক ত্রুটিতে ঢাকা-কলম্বো ফ্লাইটের ১৮২
যাত্রী
প্রায়
সাড়ে
পাঁচ
ঘণ্টা
বিমানে
আটকে
ছিলেন।এসব ঘটনায়
অভিযোগ
প্রমাণিত হোক
বা
না
হোক,
যাত্রীসেবায় আস্থার
সংকট
স্পষ্ট। বিমানবন্দরে একাধিক
সংস্থা
কাজ
করায়
দায়িত্ব ভাগ
হয়ে
আছে।
তাই
যাত্রীসেবার সার্বিক দায়িত্ব একজন
কর্মকর্তার অধীনে
দিয়ে
একটি
সমন্বিত ‘যাত্রীসেবা ও
লাগেজ
নিরাপত্তা সেল’
গঠন
করা
যেতে
পারে।প্রতিটি লাগেজের গতিপথ
বারকোড
বা
আধুনিক
ট্যাগের মাধ্যমে নথিভুক্ত করা,
সিসিটিভি ও
প্রবেশ
নিয়ন্ত্রণ জোরদার
করা
এবং
অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্যভিত্তিক তদন্ত
নিশ্চিত করা
প্রয়োজন। একই
সঙ্গে
দেরিতে
আসা
লাগেজ
যাত্রীর বাড়িতে
পৌঁছে
দেওয়ার
ব্যবস্থা করা
উচিত।ইমিগ্রেশনে যাত্রীচাপ অনুযায়ী কাউন্টার ও
জনবল
বাড়ানো,
বিদেশিদের জন্য
স্পষ্ট
নির্দেশনা এবং
বয়স্ক
ও
বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের অগ্রাধিকার সেবা
নিশ্চিত করাও
জরুরি।
বিমানবন্দর শুধু
উড়োজাহাজ ওঠানামার জায়গা
নয়,
এটি
একটি
দেশের
প্রবেশদ্বার। তাই
শাহজালালে যাত্রীসেবার মান
বাড়াতে
প্রয়োজন নজরদারি, পরিমাপযোগ্য সেবা
ও
স্পষ্ট
জবাবদিহি।