জব্দ বালু ঘিরে ছাগলনাইয়ায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় জব্দ
করা
বালু
নিয়ে
বিএনপির দুই
পক্ষের
বিরোধের জেরে
ককটেল
বিস্ফোরণ ও
গুলির
ঘটনা
ঘটেছে।
এতে
রিয়াজ
উদ্দিন
টিপু
নামে
এক
বিএনপি
কর্মীসহ তিনজন
আহত
হয়েছেন। ঘটনাটি
ঘটে
শুক্রবার দিবাগত
রাত
দেড়টার
দিকে
উপজেলা
পরিষদ
কম্পাউন্ডসংলগ্ন ছাগলনাইয়া-করেরহাট সড়কের
শহীদ
মিনারের সামনে।শনিবার আহত
টিপুর
পক্ষ
থেকে
স্থানীয় বিএনপি
নেতা
আলমগীর
ছিদ্দিকীসহ ১৪
জনের
নাম
উল্লেখ
করে
ছাগলনাইয়া থানায়
লিখিত
অভিযোগ
দেওয়া
হয়েছে।
ঘটনার
পর
এলাকায়
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
পুলিশের টহল
জোরদার
করা
হয়েছে।আহত রিয়াজ
উদ্দিন
টিপুর
অভিযোগ,
সরকারের জব্দ
করা
বালু
অভিযুক্ত আলমগীর
ছিদ্দিকী রাতের
আঁধারে
অবৈধভাবে বিক্রি
করে
দিচ্ছেন। বিষয়টি
নিয়ে
প্রশ্ন
তোলার
পর
শুক্রবার রাত
সাড়ে
১২টার
দিকে
বিএনপি
ও
যুবদলের কয়েকজন
নেতা
তাঁকে
শহীদ
মিনারের সামনে
যেতে
বলেন।
সেখানে
পৌঁছালে ঘোপাল
ও
শুভপুর
ইউনিয়নের কয়েকজন
ব্যক্তি আগে
থেকেই
অবস্থান করছিলেন। টিপুর
দাবি,
ঘোপাল
ইউনিয়ন
বিএনপির সদস্য
আলমগীর
ছিদ্দিকীর নেতৃত্বে থাকা
ব্যক্তিরা তাঁর
ওপর
হামলা
চালান।টিপুর ভাষ্য
অনুযায়ী, হামলার
সময়
তাঁর
মাথায়
ককটেলের আঘাত
লাগে,
পায়ে
গুলি
লাগে
এবং
শরীরের
বিভিন্ন স্থানে
ধারালো
অস্ত্রের আঘাত
করা
হয়।
বর্তমানে তিনি
চিকিৎসাধীন রয়েছেন।পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক
প্রত্যক্ষদর্শী জানান,
রাত
১টার
পর
ঘটনাস্থলের কাছে
গিয়ে
তিনি
কয়েকটি
মাইক্রোবাস থেকে
২৫
থেকে
৩০
জন
হেলমেটধারী ব্যক্তিকে নামতে
দেখেন।
কিছুক্ষণ পর
সেখানে
ককটেল
বিস্ফোরণ ও
গুলির
শব্দ
শোনা
যায়।
পরে
আহত
কয়েকজনকে দ্রুত
হাসপাতালে নেওয়া
হয়।ছাগলনাইয়া থানার
উপপরিদর্শক (এসআই)
গোলাম
মোস্তফা বলেন,
আহত
টিপুকে
উদ্ধার
করে
উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া
হয়।
একাধিক
গাড়িতে
করে
আসা
ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে
শুভপুরের দিকে
চলে
যান।
আহতকে
হাসপাতালে নেওয়ার
কারণে
তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে
আটক
করা
সম্ভব
হয়নি।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা.
সামছুদ্দিন বলেন,
আহত
ব্যক্তির মাথা,
শরীর
ও
পায়ে
আঘাতের
চিহ্ন
ছিল।
তবে
হাসপাতাল থেকে
পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা শেষ
হওয়ার
আগেই
তাঁর
সঙ্গে
থাকা
লোকজন
তাঁকে
নিয়ে
চলে
যান।অভিযোগের বিষয়ে
আলমগীর
ছিদ্দিকী বলেন,
ঘটনার
সময়
তিনি
ঘটনাস্থলে ছিলেন
না।
অসুস্থতার কারণে
তিনি
বাসায়
বিশ্রামে ছিলেন।
টিপুর
অভিযোগ
অস্বীকার করে
তিনি
দাবি
করেন,
এ
ঘটনার
সঙ্গে
তাঁর
কোনো
সম্পৃক্ততা নেই।ছাগলনাইয়া থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
আবু
তাহের
লিখিত
অভিযোগ
পাওয়ার
বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন। তিনি
বলেন,
ঘটনাটি
তদন্তাধীন রয়েছে
এবং
এ
বিষয়ে
মামলা
দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।