ঢাকা    মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
365 D News

অভিযোগ গুরুতর, পদ অটুট, এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানকে ঘিরে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক: এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নুরুন নেওয়াজ ও ভাইস চেয়ারম্যান মইনউদ্দিন মোনেমের বিরুদ্ধে ঋণ অনিয়ম, স্বার্থের সংঘাত ও ঋণখেলাপির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাঁরা এখনো নিজ নিজ পদে বহাল রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০২২ সালে নুরুন নেওয়াজের মালিকানাধীন অর্কিড এনার্জি লিমিটেডের এলপিজি স্থাপনা অধিগ্রহণের জন্য ২৬ কোটি টাকা ঋণের আবেদন করা হয়। আবেদনটি রাজ্জাক এন্টারপ্রাইজের নামে করা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগী হিসেবে নুরুন নেওয়াজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তখন নুরুন নেওয়াজ এনসিসি ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন। ফলে নিজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য নিজ ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়ে থাকলে তা ব্যাংক কোম্পানি আইন ও স্বার্থের সংঘাতসংক্রান্ত বিধানের লঙ্ঘন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া ব্যাংকের বিভিন্ন ক্রয় ও টেন্ডারে নুরুন নেওয়াজের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া সুবিধা পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা ও ভবনে বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এসি সরবরাহের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। সূত্রের দাবি, নুরুন নেওয়াজের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কার্যালয় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তদন্তের বিষয়টি নিষ্পত্তির আগেই ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় তাঁকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। অন্যদিকে ভাইস চেয়ারম্যান মইনউদ্দিন মোনেমের সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েছে বলে ব্যাংকিং খাতের সূত্রগুলো জানিয়েছে। এ অবস্থায় তিনি কীভাবে ব্যাংকের পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে বহাল রয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নুরুন নেওয়াজ ও মইনউদ্দিন মোনেমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

অভিযোগ গুরুতর, পদ অটুট, এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানকে ঘিরে বিতর্ক